সাংবাদিক মিলন খন্দকার ও তার বাবা মায়ের বিরুদ্ধে পিটিশন দাখিল করেছেন স্ত্রী লাভলী

আশরাফুল ইসলাম গাইবান্ধা:
প্রথম স্ত্রী ও সন্তান কে নির্যাতনের অভিযোগ উঠার পর অবশেষে গাইবান্ধায় বিজ্ঞ আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ১ এ আনন্দটিভি সাংবাদিক ১।  মিলন খন্দকার, ২। তাহার পিতা জোব্বার খন্দকার ও ৩।  তাহার মাতা তাহমিনা খন্দকার এর বিরুদ্ধে পিটিশন দাখিল করেছেন তার ১ম স্ত্রী লাভলী বেগম। যার পিটিশন নম্বর ১০, তারিখ ১৬,২,২১ইং।
জানা যায়, গত বিশ বছর আগে লাভলী বেগমের বিবাহ পারিবারিক সম্মতিতে এরপর তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান যার বর্তমান বয়স ১০ ও একটি মেয়ে সন্তান যার বর্তমান বয়স ৬ । তার এই দাম্পত্য জীবন চলার মাঝে সাংবাদিক মিলন খন্দকার সাংবাদিকতাকে পূজি করে জেলার এক সাধু কন্যাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে মুসলিম ধর্ম গ্রহন করাইয়া বিবাহ করে । এ বিবাহের পর হতে তাদের দাম্পত্য জীবনে সম্পর্কের টানাপোড়ন মনোমালিন্য হয়ে পরবর্তী সংসারিক দন্দে পরিণত হয়।  এরপর শুরু হয় ক্ষোভ একে অপরকে শাস্তি দিতে । চলে নানা নাটকীয়তা এরপর বিচার শালিস বিচারের রায় মেনে আবারো ঘর সংসার করার অঙ্গিকারে বসবাস করা কালে শাররিক ও নানা ভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ তুলেছেন লাভলী বেগম ও তার দু সন্তান ।  তারা সাংবাদিক মিলন খন্দকারের নির্যাতন থেকে মুক্তিপেতে ও তার বিচার এবং যথাযথ শাস্তির দাবী জানিয়ে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিচার ও আইন শাখার সংশ্লিষ্টদের এবং মিলন খন্দকার কর্মরত প্রতিষ্ঠান আনন্দটিভি চেয়ারম্যানের প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ কামনা করে গাইবান্ধায় সংবাদ সম্মেলন করার পর।  এবার সাংবাদিক মিলন খন্দকারের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতে বিজ্ঞ আদালতের বিচার প্রার্থনায় পিটিশন দাখিল করেছেন তার স্ত্রী লাভলী বেগম ।
লাভলী বেগম বলেন,সাংবাদিক নামধারী মিলন খন্দকার আমার উপর ও আমার সন্তানদের উপর শাররিক ও মানুষিক ভাবে নির্যাতন করেছেন এখনো নানা ভাবে করেই যাচ্ছেন ।  আমরা এই নারী লোভী লম্পট মানুষটার বিচার চাই ,শাস্তি চাই এ জন্য যা কিছু করা দরকার সব কিছুই করবো। আমি বিচার ও শাস্তি চাই এই লম্পটের।