লক্ষ্মীপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মাদ্রাসা শিক্ষককে পিটিয়ে আহত

ব্যুরো চীফ,নোয়াখালীঃ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ডে জমিজমা বিষয়ক পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মোঃ বাবর হোসেন নামক এক মাদ্রাসা শিক্ষককে পিটিয়ে আহত করেছে সন্ত্রাসীরা। ঐ শিক্ষকের আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে প্রেরন করে। জানা গেছে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১৫ নং ওয়ার্ডের ইটেরপুলের জুড়া গাজী মিজি বাড়ীর জবিহ উল্লার সাথে একই বাড়ির ইব্রাহিমের জমিজমা বিষয়ক ভাগবাটোয়ারা নিয়ে ঝামেলা চলে আসছে। ইব্রাহিমেরর পক্ষ নিয়ে একই বাড়ির আহসানউল্লাহর স্ত্রী হাজেরা বেগম প্রায় সময় জবিউল্লাহ ও পরিবারের সদস্যদের বকাঝকা এবং গালমন্দ করে থাকে। এই নিয়ে বাড়ির মুরুব্বিরা আহসান উল্লার স্ত্রী হাজেরা বেগমকে সতর্ক করে দেয়।

জবি উল্লাহদের ফাঁসাতে হাজেরা তার দেবর আজিমুদ্দিনের স্ত্রী তন্বী বেগমের সাথে জবিহ উল্লার ছেলে মোঃ বাবর হোসেনকে জড়িয়ে মিথ্যা অপবাদ ছড়িয়ে দেয়। শুধু তাই নয় হাজেরা পানিতে লাফ দিয়ে বাবরকে ফাঁসানোর পাঁয়তারার উদ্দেশ্যে চিৎকার-চেঁচামেচি করতে থাকে। মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হাজেরা কাউন্সিলরের কাছে নালিশ করতে গেলে পৌরসভার গো-হাটার সামনের সড়কের উপর অটোরিক্সার সাথে ধাক্কা খেয়ে এক্সিডেন্ট হয়। এতে তার মাথা ফেটে যায়। স্থানীয়রা অটোরিকশা আটক করে এবং চালককে মারধর করে। তথাপিও হাজেরা জবিউল্লাহর পরিবারদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে নানা ফন্দি করতে থাকে।

মীমাংসার জন্য স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহী উভয়পক্ষকে নিরব থাকার পরামর্শ দেন এবং সময় করে তা ভেঙে দেওয়ার আশ্বাস দেন। কমিশনারের কথা ডিঙিয়ে আহসানউল্লাহ আজ সকাল নয়টার দিকে সন্ত্রাসী ভাড়া করে এনে জবিহ উল্লার ছেলে ও স্থানীয় শেখ সাহেব আদর্শ নূরানী মাদ্রাসার শিক্ষক মোহাম্মদ বাবর হোসেন(২৫)কে মাদ্রাসা যাওয়ার পথরোধ করে লোহার রড ও এসএস পাইপ দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় মাদ্রাসার শিক্ষককের আর্তচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এবিষয়ে কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন শাহী বলেন- ‘আমি ঘটনাটা শুনেছি। বাবরকে মেরেছে। তাদেরকে চিকিৎসা নিতে বলেছি। হাজেরা একসিডেন্ট করেছে। তাকে চিকিৎসা নিতে বলেছি। ঘটনা তদন্ত করে সমাধান করা হবে।’ আহসানউল্লাহ ও তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের হুমকি-ধমকি চলছে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে জানে মেরে ফেলার হুমকিও দিচ্ছে সন্ত্রাসীরা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here