মানিকগঞ্জে টিকা নিলেন ডিসি, এসপি, সিভিল সার্জন

রিপন আনসারী,মানিকগঞ্জ থেকে ।
মানিকগঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে করোনা ভাইরাসের প্রথম ভ্যাকসিন টিকা গ্রহন করেছেন জেলা প্রশাসক এস. এম ফেরদৌস,পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম ও সিভিল সার্জন আনোয়ারুল আমিন আখন্দ। রবিবার  সকাল পৌনে ১১টার দিকে নার্সিং কলেজের হল রুমে  তারা করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন গ্রহন করেন। এরা তিনই জানান, টিকা গ্রহনের পর তাদের শরীরে কোন ধরনের সমস্যা হয়নি।পরে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষজনকে পর্যায়ক্রমে টিকা নিতে দেখা যায়।
সিভিল সার্জন সিভিল সার্জন আনোয়ারুল আমিন আখন্দ,বলেন জেলায় ৪৮ হাজার ডোজ করোনার ভ্যাকসিন আমরা হাতে পেয়েছি। রোববার পর্যন্ত জেলায় ১ হাজার ৮শ ২৭ জন এ্যাপসের মাধ্যমে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিনের নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।
এর মধ্যে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায়  ৭৯৮ জন,সিংগাইর উপজেলায়  ৭২ জন, শিবালয় উপজেলায়  ৭৩ জন, সাটুরিয়া উপজেলায় ৫৮৮ জন , হরিরামপুর উপজেলায় ১২৮ জন, ঘিওর উপজেলায় ৯০ জন , দৌলতপুর উপজেলায় ৭৮ জনের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে।
নিবন্ধনকারীরা স্ব স্ব উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভ্যাকসিনের টিকাদান কেন্দ্র থেকে টিকা গ্রহন করতে পারবেন বলেও জানান তিনি।
 
তিনি আরো বলেন, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজে ১টি , ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ১ টি ,পুলিশ হাসপাতালে ১ টি এবং ৬ টি উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ টি করে করোনা ভ্যাকসিনের কেন্দ্রে খোলা হয়েছে। রবিববার থেকে এক যোগে সেব কেন্দ্রে টিকা দেয়া হচেছ।এছাড়া করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের টিকা প্রয়োগে জেলায় ৩৭ টি টিম কাজ করছে ।
করোনার ভাইরাসের প্রথম টিকা গ্রহন করার অনুভতি জানিয়ে মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম বলেন,সাধারন ইসজেকশনের মতোই হচ্ছে করোনা ভ্যাকসিনের এই টিকা। টিকা গ্রহনের পর শরীরে কোন ধরনের সমস্যা উপলদ্বি হয়নি। আমরা প্রশাসনের উধ্বতন কর্মকর্তারা টিকা নেয়ার পর এখন আর সাধারন মানুষের শংকা থাকা উচিত নয়। টিকা এসেছে মানুষের মঙ্গলের জন্যই। তিনি আরো বলেন,গেল বছর মার্চ মাস থেকে আমরা করোনার সাথে লড়াই করে চলেছি। আর এই টিকা  নিয়ে যারা অপপ্রচার চালাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌস বলেন,আমাদের শরীরে প্রথম টিকা নেয়ার উদ্দশ্যই হচ্ছে সাধারন মানুষজনকে উদ্বুদ্ধ করা। শরীরে টিকা নেয়ার পর আলাদা কোন অনুভুতি হয়নি। করোনার হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে করোনার ভ্যাসিনের টিকার বিকল্প নেই। আমি জেলার সকলকে এই ভ্যাকসিন গ্রহনের আহবান জানাচ্ছি।