বাহারছড়ায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা: নারী-পুরুষসহ উভয় পক্ষের আহত-৭

আনোয়ার হোসেন,টেকনাফ:

টেকনাফের বাহারছড়া ইউপি নির্বাচনে হেরে দুই মেম্বার প্রার্থীর আত্মীয় স্বজনের মধ্যে সহিংসতার ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৭জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ইকবাল নামের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে চট্টগ্রামে রেফার করা হয়েছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকাল ৫.০০ টার দিকে বাহারছড়া উত্তর শিলখালী স্থানীয় মোঃ সোনালি মেম্বারের গ্রুপের সাথে মৃত লাল মোহাম্মদের পুত্র আবু বক্করের ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা সংঘটিত হয়।এতে উভয় পক্ষের ৭ জন আহত হয়। এর মধ্যে সোনালি মেম্বারের পুত্র আবুল ফয়েজ(২৫)ও আব্বাস আহমেদের ছেলে মোহাম্মদ ইকবাল(১৮) আহত হয়।অপর পক্ষে আবু বক্করের স্ত্রী,মেয়ে ও পুত্র মহিব উল্লাহ(২২) ও রহমত উল্লাহ(৩০) আহত হয়।আহতদের মধ্যে ইকবালকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম রেফার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।বাকি আহতরা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মেম্বার পদপ্রার্থী সৈয়দ আহমেদ বলেন,”নির্বাচনের পরের দিন থেকে সোনালী মেম্বারের লোকজন আমার কর্মী সর্মথকদের হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল এবং এপর্যন্ত বাড়িতে থাকতে পারিনি।আজকে আমার বড় ভাই আবু বক্করের ছেলেদের সাথে নির্বাচনের ইস্যুকে কেন্দ্র করে বাড়ি ঘরের ঘেরাবেড়া কেটে তচনচ করা হয়েছে এবং বাড়ি ঘরে এসে আমাদের উপর হামলা করেছে।এতে ছেলে মেয়ে আত্মীয় স্বজনসহ অনেকে আহত হয়েছে।

এ ব্যাপারে সোনালি মেম্বার এর কাছে জানতে চাইলে বলেন,” আমার পুত্র ফয়েজসহ ভাতিজা ইকবাল গুরুতর আহত হয়েছে।ইকবালের অবস্থা মারাত্মক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে রেফার করা হয়েছে “।

এদিকে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর নুর মোহাম্মদ জানান,” ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তড়িৎ গতিতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে ।উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন তিনি ।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে ধাওয়া করে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্তিতিকে স্বাভাবিক করেছে”।বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।এলাকায় এধরনের আর কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন এলাকার সচেতন মহল।