বাংলাদেশ-ভারত বৈঠক-সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে ঐকমত্য

সীমান্তের উভয় পাশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। শনিবার বাংলাদেশ ও ভারতের স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে উভয় পক্ষ একমত হয় যে, বাংলাদেশ ও ভারতের ভূখণ্ড পরসপরের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না। একইসঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বাকি থাকা যে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী সম্মত হয়েছিলেন সেটির কাজ দ্রুত শেষ করা নিয়েও আলোচনা হয়েছে এতে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন জানিয়েছেন, সীমান্তে শিঘ্রই নন লিথাল গুলি ব্যবহার করা হবে। যাতে করে মানুষের মৃত্যু হবে না। এসময় বাংলাদেশ ও ভারতের ভূখণ্ড পরস্পর স্বার্থবিরোধী কোনো কাজে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে একমত হয়েছে উভয়পক্ষ।
এই ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন। আর ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় কুমার ভাল্লা। বৈঠকে উভয় সচিব সীমান্তে পারস্পরিক সহযোগিতা আরো জোরদারে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।উভয় পক্ষই দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি অনুযায়ী সীমান্তে অসম্পন্ন বেড়া তৈরির কাজ শেষ করার বিষয়ে আলোচনা করেছে।উভয় পক্ষই নকল ভারতীয় মুদ্রা পাচার রোধে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে।
এ ছাড়া তারা স্বার্থবিরোধী কোনো ক্রিয়াকলাপের জন্য দুই দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে না দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।আলোচনায় সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থার ঝুঁকি মোকাবিলায় উভয় পক্ষের গৃহীত পদক্ষেপের প্রশংসা করা হয়। নকল ভারতীয় মুদ্রা পাচার বন্ধে এক হয়ে কাজ করার বিষয়ে একমত হয়েছে উভয় পক্ষই। একইসঙ্গে সীমান্ত সহযোগিতার বিষয়টি পর্যালোচনা করে এক্ষেত্রে আরো সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছে।