বরিশালে সংখ্যালঘু কবি ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের মিলনমেলা

বিশেষ প্রতিবেদক।
পশ্চিম বঙ্গের কবিদের অংশগ্রহণে বরিশালে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সংখ্যালঘু কবি ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের মিলনমেলা। ২ আগষ্ট অনুষ্ঠিত এ সাহিত্য আড্ডার সংবাদ ফেসবুকের মাধ্যমে জানা গেল ৩ আগষ্ট। কবি বন্ধু অপূর্ব গৌতম তার ফেসবুক স্টাটাসে লিখেছেন – গতকাল আমরা সাহিত্য আড্ডায় মেতেছিলাম অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষক মিলনায়তনে। প্রগতি লেখক সংঘ ও জাতীয় কবিতা পরিষদ এ আ্ড্ডার আয়োজন করে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে এসেছেন বরুন চক্রবর্তী, বিধানেন্দু পুরকাইত, দিলীপ কুমার প্রামাণিক, অরবিন্দ সরকার। ঢাকা থেকে এসেছেন প্রকাশক ও কবি অর্ণব আশিক এবং আরিফ নজরুল। বিকেল ৫:৩০ থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে জমজমাট  আড্ডা।
এ আড্ডায়  বরিশালের অন্যতম কবি, লেখক, সাংবাদিক, গল্পকার, কাউকেই দেখা যায় নি। তবে সাংস্কৃতিক কর্মী ও নাট্যকর্মীদের অংশগ্রহণ ছিলো কিছুটা। এরকম আড্ডাকে আরও প্রাণবন্ত করার জন্য বেশি বেশি আয়োজন  হওয়া প্রয়োজন উল্লেখ করে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রগতি লেখক সংঘের বরিশাল সভাপতি অপূর্ব গৌতম। তবে সেখানে বরিশালের অন্যতম কবি হেনরী স্বপন, সাংস্কৃতিক সমন্বয় পরিষদের নজমুল হোসেন আকাশ, সৈয়দ দুলাল, পটুয়াখালীর সাহিত্যিক মাসুদ আলম বাবুল সহ প্রমুখের উপস্থিতি আরো শক্তিশালী ও সার্বজনীন সাহিত্য আড্ডা হতে পারতো। অথচ বরিশালের উল্লেখযোগ্য কোনো সাংবাদিকও এতে ছিলেন না।
যারা ছিলেন তারা হচ্ছেন বরিশালের ছড়াকার দীপঙ্কর চক্রবর্তী, তপঙ্কর চক্রবর্তী, শুভাঙ্কর চক্রবর্তী, কাজল ঘোষ, বাসুদেব ঘোষ, টুনু কর্মকার প্রমূখ।
সাংস্কৃতিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি নজমুল হোসেন আকাশ জানালেন, হেনরী স্বপন আসে, আসেনা তাই তাকে ডাকা হয়না। এরকম আরোকিছু সমস্যা নিয়েই চলছে আমাদের সাহিত্য অঙ্গন। অনেককেই দেখা যায় ডাকে না তারা। আর প্রগতি লেখক সংঘ বরিশালের সভাপতি অপূর্ব গৌতম বলেন, আমরাতো ফেসবুকে স্টাটাস দিয়ে সবাইকে নিমন্ত্রণ জানিয়েছি। কেউ না আসলে আমরা কি করতে পারি?
তবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকেই ফোন করে দাওয়াত করা হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন আগতদের অনেকে।