ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানে উপস্থিত শতাধিক হিন্দুধর্মীয় নেতা ও আলেম-ওলামাদের উদ্দেশে বলেন, ‘যাঁরা ওয়াজ-মাহফিল করেন, বাংলাদেশের যেখানেই ওয়াজ-মাহফিল হোক না কেন, সেখানে আমাদের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা আছে। যদি কোরআনের আলোকের বাইরে কেউ অন্য কোনো আলোচনা করতে চায়, তাহলে আমাদের প্রশ্ন আছে। পবিত্র কোরআন শরিফে যা আছে, সেটার ওপর তাঁরা আলোচনা করবেন। যাঁর যাঁর ধর্মে যা আছে, সেই ধর্মের আলোচনা করতে পারবেন। শুধু এ সুযোগ আছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যারা উগ্রপন্থী আছে, তারা যাতে কোরআনের মূল আলোচনার বাইরে কাজ করতে না পারে, আলেম-ওলামাদের সেই দায়িত্ব নিতে হবে, উগ্রপন্থীরা যেন মাথাচাড়া দিয়ে না ওঠে; ডিসি-এসপিরা এই উগ্রপন্থীদের ওয়াজের অনুমোদন দেবেন না।’ প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক বলেন,‘আমি বলব না সরকারের পক্ষে কথা বলুন, সরকারের বিপক্ষে লোক থাকতে পারে, বিএনপি-জাতীয় পার্টি থাকতে পারে, কিন্তু সবাইকে পবিত্র কোরআনে যা আছে, সেটার ওপরে যেন ব্যাখ্যাটা দেন। এর বাইরে কোনো অপব্যাখ্যা যেন না হয়। তাহলে কোনো ওয়াজ-মাহফিল থাকবে না।’

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ভোলা জেলা প্রশাসক মো. তৌফিক ই-লাহীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, সরকারি ফজিলাতুন্নেছা মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ দুলাল চন্দ্র ঘোষ, ভোলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম হাবিবুর রহমান, ভোলা জেলা মুসলিম ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক উপধ্যক্ষ মোবাশ্বিরুল হক নাঈম, ইমান আকিদা সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহমেদ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক অবিনাশ নন্দী, পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অসীম সাহা প্রমুখ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here