টেকনাফ ছাত্রলীগের সম্মেলন হলেও সভাপতি-সম্পাদক প্রার্থীরা জেলার সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছে!

রহমত উল্লাহ, নিজস্ব প্রতিবেদক:
উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে পাঁচ বছর পর টেকনাফ পৌর শহরের পুরাতন বাসষ্টেশনের সী-কোরাল রির্সোট প্রাঙ্গনে জাতীয় সঙ্গিত পরিবেশন, জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে টেকনাফ উপজেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
সম্মেলনে উপস্থিত ছিল টেকনাফ উপজেলা ছাত্রলীগের কয়েক হাজার নেতাকর্মীরা।সম্মেলনে আগের কমিটি বিলুপ্ত করা হলেও নতুন সভাপতি-সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়নি।এ দুই পদের জন্য ভোটও গ্রহণ করা হয়নি।দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতি-সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হবে বলে নেতাকর্মীদের জানান কক্সবাজার জেলার নেতারা।
টেকনাফ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সুলতান মাহমুদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় (২৫ ফেব্রুয়ারী) বৃহস্পতিবার বিকালে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসাইন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মারুফ আদনানসহ জেলা উপজেলার অনেক নেতাকর্মী।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন কক্সবাজার আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শফিক মিয়া,সহ-সভাপতি কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের রেজাউল করিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল মুকুল, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ইউনুছ বাঙালী, সদস্য সোনা আলী, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য বদরুল হাসান মিল্কি, মিজানুর রহমান মিজান সদস্য, কক্সবাজার জেলা যুবলীগের সভাপতি সোহেল আহমদ বাহাদুর, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক সোহেল, টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আলম, সাবরাং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর হোসেন।
বক্তরা বলেন, কোনওভাবেই বির্তকিত কাউকে নেতৃত্বে রাখতে চাইছে না নীতি-নির্ধারণী পর্যায়। আগামীতে যেন ছাত্রলীগের কারণে কোথাও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন না হয়, সেদিক বিবেচনা করে পরিচ্ছন্ন ও মেধাবীদের ঠাঁই হবে এবারের কমিটিতে। সেদিক থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে পরিবারের রাজনৈতিক ভূমিকার ওপর।
কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ ও বর্তমান কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বেশ কিছু জাতীয় এবং দলীয় বিষয়াদি বিবেচনায় রেখে এবার খুব হিসাব-নিকাশ করে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নিবেদিতপ্রাণ মেধাবী এবং পরীক্ষিত কর্মীদের দিয়ে টেকনাফ উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব গঠন হবে।কারা মাঠে ছিল, কারা ছিল না সেই হিসাবও কষছে হাইকমান্ড। কেবল পদের আশায় দৌড়ালে চলবে না, যারা মাঠে থেকে সংগঠনকে সক্রিয় রেখেছে তারাই মূল্যায়িত হবে।
এই সম্মেলনে সভাপতি পদে অন্তত দুইজন ও সাধারণ সম্পাদক পদে অন্তত ৭ জন প্রার্থী রয়েছেন। তারা এখন জেলার নেতাদের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছে।