সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক। তিনি বলেন, শুক্রবার যে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, এতে আগের কমিটির আহ্বায়ককেই রাখা হয়েছে। আগের কমিটি মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় বিলুপ্ত করা হয়েছে। এতে প্রতীয়মান হয়, আগের কমিটির ব্যর্থতার কারণে কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। ব্যর্থতার দায় আহ্বায়ক আহমেদ আযম খানের ওপর বর্তায়। কিন্তু সেটি না করে সদস্যসচিবকে বাদ দিয়ে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এতে নেতা–কর্মীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, আগের আহ্বায়ক কমিটি গঠনের পর ৫০–এর অধিক কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে আহমেদ আযম খান মাত্র পাঁচ–ছয়টিতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি কর্মসূচিগুলো সদস্যসচিব মাহমুদুল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। ভবিষ্যতে কেন্দ্র ও স্থানীয় সব কর্মসূচি জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ও সদ্য সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদুল হক, বর্তমান কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, সদস্য সাদেকুল আলম, আশরাফ পাহেলী, শফিকুর রহমান, জিয়াউল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলন প্রসঙ্গে নবগঠিত কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন বলেন, আহ্বায়ক আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করা হয়েছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ কেন্দ্রীয় সব নেতা জেলা বিএনপি সম্পর্কে অবহিত। বিভিন্ন সময় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশ অমান্য করায় বিগত কমিটির সদস্যসচিবকে নতুন কমিটিতে রাখা হয়নি।

এদিকে বিকেলে জেলা বিএনপির ভিক্টোরিয়া রোডের কার্যালয়ে মাহমুদুল হকের অনুসারীরা তালা লাগিয়ে দিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।