শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো—শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষিত ৭০ শতাংশের সিলেবাস বাতিল করে ৫০ শতাংশের সিলেবাসে ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া। প্রতিটি বিভাগে তিন বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া। সিলেবাস অনুযায়ী সময় নির্ধারণ। করোনার নতুন ধরন অমিক্রন ছড়িয়ে পড়াসহ করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের বিষয়টি আগেই জানিয়ে দেওয়া।

এইচএসসি পরীক্ষার্থী শাহী আহমদ বলেন, ‘করোনার কারণে কলেজ বন্ধ ছিল। ২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষা চলছে। ৩০ শতাংশ সিলেবাসে এই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অটো পাস দেওয়া হয়েছে। তাঁরা দুই বছর ক্লাস করে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছিলেন। আমাদের পরীক্ষার সময় আগামী জুনে নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা দুই বছরে ক্লাস করার সুযোগ পেয়েছি মাত্র ছয় মাস। এ সময়ের মধ্যে পড়াশোনা করে ১০০ মার্কের পরীক্ষা দেওয়া কোনোভাবে সম্ভব নয়। এ জন্য আমরা ৪ দফা দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি। আমরা শিক্ষামন্ত্রীর কাছে সিলেবাস ও পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছি।’

শিক্ষার্থীরা জানান, তাঁরাও মানুষ, রোবট নয়। ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার আগে সব মিলিয়ে তাঁরা মাত্র ছয় মাস ক্লাস করার সুযোগ পাবেন।

কর্মসূচিতে অংশ নেন সিলেটের বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন এইচএসসি পরীক্ষার্থী শেখ মাহমুদ হাসান, রিজভী আহমদ, মিজানুর রহমান, সামিয়া বেগম প্রমুখ।