আরিফ আহমেদ,  বাংলাদেশ প্রতিনিধি।
প্রায় দুই বছর। ৫৪৩ দিন পর রবিবার সকালে খুলেছে বরিশালসহ সারা বাংলাদেশের শিক্ষা কক্ষের দুয়ার।
১২ সেপ্টেম্বর সকাল থেকেই বাবা মা ও সন্তানের ব্যস্ততা স্কুলে যাওয়ার জন্য। সঠিক সময়ে শ্রেনীকক্ষে প্রবেশ করা। শিক্ষকদের সাথে ছাত্রছাত্রীদের সাক্ষাৎ সবমিলিয়ে একটা অন্যরকম অনুভূতি যেন।
স্কুলের পোষাকে বন্ধুদের নিয়ে দলবেঁধে চলছে ছাত্র ছাত্রী। বরিশাল এআর স্কুলের দশম শ্রেনীর ছাত্রী রাঈদাহ ইসলাম সাদিয়া বলেন, সত্যি সত্যি আমাদের স্কুল খুলেছে দেড় বছর পর। এখনো বিষয়টা কেমন যেন স্বপ্ন স্বপ্ন লাগছে।  আমরা আজ একসাথে আবারও স্কুলে যাচ্ছি।
জেলা স্কুলের মঈন, তালুকদার হাট স্কুল ও কলেজের সবুজ, সুরাইয়া সকলের চোখে মুখে একটা অনিশ্চয়তা।  কারো চোখে ভয়, শংকা। কেউ কেউ যেন বিশ্বাস করতে পারছে না স্কুল খুলেছে ১২ সেপ্টেম্বর রবিবার সকালে।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক ও নিরাপদ দুরত্বে স্কুলে প্রবেশ করছে শিক্ষার্থীরা
শারীরিক উপস্থিতিতে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আগে থেকেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত করার নির্দেশনা ছিল। সে অনুযায়ী প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। শ্রেণি কার্যক্রম প্রস্তুতি ছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বরণ করতে সাজানো হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শ্রেণিকক্ষ।
বিভিন্ন স্কুল ঘুরে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীদের আগমন উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সাজসাজ রব বিরাজ করছে। বিশেষ করে দুই শিফটের স্কুলগুলোতে সকাল ৮টার আগেই শিক্ষার্থীরা নতুন স্কুল ড্রেস পরে অভিভাবকের হাত ধরে উপস্থিত হতে দেখা গেছে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রাথমিকে প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুইটি শ্রেণির পাঠদান অনুষ্ঠিত হবে। সে অনুযায়ী একটি রুটিনও প্রণয়ন করা হয়েছে। রুটিন অনুযায়ী, আজ রবিবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির সঙ্গে তৃতীয় শ্রেণির ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। তবে বিষয়টি না জেনে অনেক অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরও স্কুলে চলে আসতে দেখা গেছে।
শিক্ষা  প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের দেয়া ১৬ টি বিধিনিষেধ মেনে শ্রেণীকক্ষ পরিচালনা করবে। অধ্যক্ষ বা প্রধান  শিক্ষক নিয়মিত গুগল এ্যাপে যুক্ত থাকবেন শিক্ষা বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের সাথে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here