এদিকে কুমিল্লার ঘটনার জেরে বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষ, হামলাসহ নানা ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে শতাধিক ব্যক্তিকে। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে গত বুধবার রাতের সংঘর্ষের ঘটনায় সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। ওই সংঘর্ষে নিহত চারজনের মরদেহ গতকাল পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে গতকাল পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। কুমিল্লায়ও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, কুমিল্লার ঘটনাটি স্বার্থান্বেষী মহল ও চক্রান্তকারীদের উদ্দেশ্যমূলক কাজ বলে মনে করছে সরকার। যারা এই ঘটনায় জড়িত, তাদের শিগগিরই ধরা হবে। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

কুমিল্লায় গত বুধবার সকালে পবিত্র কোরআন অবমাননার খবরে উত্তেজনা ছড়ায় ও সংঘর্ষ হয়। পরে সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি মোতায়েন করা হয়। এরপর রাতে হাজীগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।

সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে সচিবালয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। এতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধান, গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, কুমিল্লার ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। যাঁরাই এটি করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাঁরা ধর্মকর্ম করেন, যাঁরা ধর্মকর্মে বিশ্বাস করেন, তাঁরা এই ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারেন না। এটি দেশের সাম্প্রদায়িক মেলবন্ধন বিনষ্ট করার জন্যই একটি প্রক্রিয়া হতে পারে।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, এ ধরনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বিনষ্টের চেষ্টাও দেখা যাচ্ছে। যাঁরা এই ধরনের চেষ্টা করছেন কিংবা অব্যাহত রাখবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ উসকানি বা ষড়যন্ত্র করলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাঁরা গুজব ছড়ানোর অপচেষ্টা করে যাচ্ছেন বা করবেন, তাঁদেরও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

কুমিল্লার পূজামণ্ডপে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনী তদন্তকাজ শুরু করেছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে হৃদয়বিদারক কিছু ঘটনাও ঘটেছে। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে চারজন নিহত হয়েছেন। আরও বিভিন্ন জায়গায় ঘটনা ঘটেছে। তবে সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনী ও দায়িত্বরত ব্যক্তিরা নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করেছেন।

২২ জেলায় বিজিবি মোতায়েন

দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তার স্বার্থে কুমিল্লা, ঢাকা বিভাগের নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জসহ ২২টি জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবির পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুর রহমান।

কুমিল্লায় ৪ মামলা, গ্রেপ্তার ৪২

কুমিল্লার ঘটনায় এই জেলায় গতকাল শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত চারটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কুমিল্লার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে গতকাল বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, গত বুধবারের ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে। ঘটনার পর চার প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাব, আনসার ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গতকাল সকালে শতাধিক আলেমের সঙ্গে প্রশাসনের বৈঠক হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের খুতবায় ইমামরা সম্প্রীতি নিয়ে বয়ান করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন, বুধবারের ঘটনায় পুলিশ চারটি মামলা করেছে। এর মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ফয়েজ আহমেদকে (২৮) বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফয়েজের করা ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। তিনিই প্রথম উসকানি দেন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপর তিন মামলায় ৪০ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। রাতে র‍্যাব একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

এদিকে দুপুরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদসহ আওয়ামী লীগ নেতারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এর আগে সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন। পরে হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ ও পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. আনোয়ার হোসেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

হাজীগঞ্জে ১৪৪ ধারা, দুই মামলা

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে বুধবার রাতে পূজামণ্ডপে হামলা ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। হাজীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ গতকাল রাতে বলেন, এসব মামলায় দুই হাজারজনকে আসামি করা হয়েছে। এ পর্যন্ত এ ঘটনায় পুলিশ সাতজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে।

কুমিল্লার ঘটনার জেরে বুধবার রাত সোয়া আটটার দিকে হাজীগঞ্জ পৌর এলাকায় ‘তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে মিছিল বের করা হয়। একপর্যায়ে মিছিলকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে। এ সময় পুলিশ গুলি চালায়। এতে চারজন নিহত ও পুলিশসহ অন্তত ৫০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সংঘর্ষের ঘটনার পর রাত ১১টা থেকে হাজীগঞ্জ বাজার এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে স্থানীয় প্রশাসন।

সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত চারজন হলেন হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল ইউনিয়নের রায়চোঁ গ্রামের আল আমিন (১৮), রান্ধুনীমুড়া এলাকার ফজলুল হকের ছেলে ইয়াছিন হোসেন (১৫), একই এলাকার আব্বাস উদ্দিনের ছেলে শামীম (১৯) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বাবলু (৩০)। গতকাল বিকেলে তাঁদের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার।

নিহত শামীমের ছোট ভাই রিপন বলেন, ‘আমার ভাই শামীম ভ্যানে করে কলা বিক্রি করতে গিয়ে পুলিশের এলোপাতাড়ি গুলিতে আহত হয়। বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় কুমিল্লা মেডিকেলে মারা যায়।’

তবে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ বলেছেন, ‘আমরা কাউকে উদ্দেশ্য করে গুলি করিনি। মন্দিরে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পুলিশের ওপর হামলার চালানো হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৩৯টি গুলি ছোড়া হয়। এ ঘটনায় ২৩ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।’

১০ জেলায় হামলা, সংঘর্ষ

এদিকে গত বুধবার থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১০ জেলায় অন্তত ২২টি মন্দিরে হামলা, সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া খুলনায় একটি মন্দিরের প্রবেশপথ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৮টি বোমাসদৃশ বস্তু।

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ভূরঘাটা এলাকায় গতকাল বিকেলে পুলিশের সঙ্গে মুসল্লিদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে আহত হন দুই পুলিশসহ পাঁচজন। কালকিনি থানার ওসি ইসতিয়াক আশফাক বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কয়েকটি ফাঁকা গুলি ছোড়ে। সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি দোকানপাটে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়।

গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর বাজার এলাকায় গতকাল সকালে দুর্বৃত্তরা তিনটি মন্দিরে হামলা চালিয়ে প্রতিমা ভাঙচুর করেছে। ঘটনার প্রতিবাদে গাজীপুর জেলার হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে আশপাশের এলাকা থেকে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গাজীপুর জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানতে পেরেছি, ৪০০ থেকে ৫০০ লোক ওই মন্দিরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে।’

সিলেটের জকিগঞ্জে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র বলেছে, সিলেটের জকিগঞ্জের কালীগঞ্জ বাজারে বুধবার রাতে খণ্ড খণ্ড মিছিল বের করা হয়। খবর পেয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমী আক্তার, জকিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) জাকির হোসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান লোকমান উদ্দিন চৌধুরী ও জকিগঞ্জ থানার ওসি আবুল কাসেম ঘটনাস্থলে যান। পরে তাঁরা কালীগঞ্জ বাজারের অদূরে মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে ইউপি কার্যালয়ের সামনে থাকা ইউএনও, এএসপি, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ওসির গাড়িতে হামলা হয়। এএসপির গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরে সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) লুৎফর রহমান বলেন, পুলিশ অজ্ঞাতনামা ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করে মামলা করেছে। ঘটনাস্থল থেকে আটক তিনজনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এদিকে বুধবার রাত ১০টার দিকে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নের মালিয়া গ্রামে মিছিল বের করেন কিছু লোক। এ সময় মিছিল থেকে উত্তেজনা ছড়ানোর দায়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

কুড়িগ্রামের উলিপুরে বুধবার সন্ধ্যায় দুই দফায় শহরের প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। রাত ১০টার দিকে এই উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের ৮টি মন্দিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। উলিপুর থানার থানার ওসি ইমতিয়াজ কবির বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ মামলা করেছে। ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পশ্চিম চাম্বল বাংলাবাজার জলদাসপাড়ায় ও কর্ণফুলী উপজেলার জুলধা ও বড়উঠান ইউনিয়নের মাঝামাঝি শাহমীরপুর সনাতনপাড়ায় বুধবার সন্ধ্যায় হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় কয়েকটি মন্দির ও বাড়িঘরে হামলা হয়। কর্ণফুলী থানার ওসি দুলাল মাহমুদ বলেন, কর্ণফুলীর ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ১৫০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা এলাকায় দুটি পূজামণ্ডপে হামলার অভিযোগে মামলা হয়েছে। শিবগঞ্জ থানার ওসি ফরিদ হোসেন বলেন, মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জেও বুধবার রাতে দুটি পূজামণ্ডপে হামলা ও প্রতিম ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় কমলগঞ্জ থানায় দুটি মামলা হয়েছে বলে জানান কমলগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা।

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় বুধবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ৪টি এলাকায় অন্তত ৭টি মন্দির ও বেশ কিছু বসতবাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা সামাল দিতে গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা ও একজন জনপ্রতিনিধি আহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় পেকুয়া থানায় তিনটি মামলা হয়েছে বলে জানান পেকুয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী।

খুলনা নগরের রূপসা মহাশ্মশানঘাট মন্দিরের প্রবেশপথের পাশ থেকে গতকাল সন্ধ্যায় ১৮টি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। খুলনায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব–৬) উপপরিদর্শক আবদুল খালেক প্রথম আলোকে বলেন, মন্দিরের মূল ফটকসংলগ্ন এলাকা থেকে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট গিয়ে প্যাকেটে মোড়ানো অবস্থায় ১৬টি এবং মাটিতে পড়ে থাকা অবস্থায় দুটি বোমা উদ্ধার করে। এগুলো রাতেই নিষ্ক্রিয় করার ব্যবস্থা করা হয়।

র‍্যাব–৬–এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোসতাক আহমেদ বলেন, কোনো কুচক্রী মহল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতেই ঘটনাটি ঘটিয়ে থাকতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here