সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে দলবেঁধে গৃহবধূকে ধর্ষণ এবং চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের দুই মামলার বিচারকাজ কেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হবে না, সেই প্রশ্নে রুল দিয়েছে হাই কোর্ট।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা স্থানান্তরে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চেয়েছে আদালত।

ভুক্তোভোগী নারীর স্বামীর এর আবেদনের প্রাথমিক শুনানির পর মঙ্গলবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও আহমেদ সোহেলের হাই কোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেয়।

এম সি কলেজ গণধর্ষণ। ঘুরে দাঁড়িয়েছেন সেই নির্যাতিতা, চাইলেন সর্বোচ্চ শাস্তি

সরকারসহ বিবাদীদেরকে দশ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে হাই কোর্টের আদেশে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাবরিনা জেরিন ও এম আব্দুল কাইয়ূম লিটন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস।

গত বছরের ১৭ জানুয়ারি ধর্ষণ মামলার অভিযোগ গঠন করে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। এরপর গত ১১ মে একই ট্রাইব্যুনাল ধর্ষণের দিন সংঘটিত চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে করা মামলারও অভিযোগ গঠন করা হয়।

এমসি কলেজে গৃহবধু গণধর্ষণ: মামলায় চার্জগঠন

মামলা দুটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করতে দুই সপ্তাহ আগে হাই কোর্টে আবেদন করেন বাদী।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে টিলাগড় এলাকার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গেলে ওই গৃহবধূকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধর্ষণ করেন কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী।

পরদিন সকালে গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা করেন। আর ভুক্তোভোগী নারীর স্বামীর কাছে চাঁদা দাবি ও গাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আরেকটি মামলা করে।